Warning: Use of undefined constant jquery - assumed 'jquery' (this will throw an Error in a future version of PHP) in /home/lawinfob/public_html/wp-content/themes/newsstar/functions.php on line 28
শ্রমিক কারা ও কয় ধরণের? - Law Info

সোমবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৯:২৯ অপরাহ্ন

শ্রমিক কারা ও কয় ধরণের?

শ্রমিক কারা ও কয় ধরণের?

workers
workers

বাংলাদেশের শ্রম আইন অনেক পূর্বে প্রণীত হয়েছে। যার ফলে এই আইনকে যুগোপযোগী বলা যেত না। যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলার জন্য ২০০৬ সালে বাংলাদেশ শ্রম আইনকে আধুনিকায়ন করে পাশ করা হয়েছে। এটিই হলো বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬। আর এই আইনের কারণে যারা সবচেয়ে বেশী সুবিধা লাভ করেন তারা হলেন বিভিন্ন শিল-কারখানার শ্রমিকগণ।

বাংলাদেশের শ্রম আইন অনুযায়ী শ্রমিক কারা?

সাধারণত বিভিন্ন শিল্প কারখানায় যারা কাজ করেন তাদেরকে শ্রমিক বলে।

শ্রম আইনে শ্রমিকের নিম্নোক্ত সংজ্ঞা প্রদান করা হয়েছেঃ

কোন প্রতিষ্ঠান বা শিল্পে দক্ষ বা অদক্ষ ব্যক্তিকে মজুরীর বিনিময়ে বিভিন্ন কাজে নিয়োগ করলে সেই নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে শ্রমিক বলে। তবে যারা ব্যবস্থাপনা বা প্রশাসনিক কাজে নিযুক্ত হন তারা শ্রমিকের অন্তর্ভুক্ত হবেন না। [ধারা-২(৬৫)]

অর্থাৎ যারা মজুরীর বিনিময়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন তাদেরকে শ্রমিক বলে।

 

শ্রমিক নিয়োগের শর্ত কি কি?

বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ এর ৩ ধারায় শ্রমিক নিয়োগের শর্ত উল্লিখিত হয়েছে। নিম্নে তা আলোচনা করা হলোঃ

(১) শ্রম আইন অনুযায়ী নিয়োগ করতে হবেঃ কোন প্রতিষ্ঠানে শ্রমিক নিয়োগ করতে হলে বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ এর বিধান মোতাবেক নিয়োগ করতে হবে। তবে কোন প্রতিষ্ঠানে যদি শ্রম আইন প্রযোজ্য না হয় তাহলে সেই প্রতিষ্ঠানের সুযোগ-সুবিধা শ্রম আইন থেকে কম হতে পারবে না। [ধারা-৩(১)]

(২) অনুমোদনঃ কোন প্রতিষ্ঠান চাকুরীর বিধিমালা প্রণয়ন করলে তা প্রধান পরিদর্শকের নিকট পেশ করবেন। প্রধান পরিদর্শক উক্ত বিধিমালা প্রাপ্তির ৬ মাসের মধ্যে বিবেচনা করে যথাযথ আদেশ প্রদান করবেন। [ধারা-৩(২)]

(৩) বিধি-নিষেধঃ প্রধান পরিদর্শকের অনুমোদন ব্যতীত কোন চাকুরী বিধি কার্যকর করা যাবে না। [ধারা-৩(৩)]

(৪) আপীলঃ প্রধান পরিদর্শকের আদেশে সংক্ষুব্ধ হলে কোন ব্যক্তি উক্ত আদেশ প্রাপ্তির ৩০ দিনের মধ্যে সরকারের নিকট আপীল করতে পারবেন। [ধারা-৩(৪)]

(৫) সরকারী প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রযোজ্য নয়ঃ উপরীক্ত চাকুরীর বিধান সরকারী মালিকাধীন কোন প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রযোজ্য হবে না। [ধারা-৩(৫)]

 

শ্রমিক কয় ধরণের?

কাজের ধরণ ও প্রকৃতির ভিত্তিতে শ্রমিকদের বিভিন্ন শ্রেণীতে বিভক্ত করা হয়েছে। শ্রম আইনের ৪ ধারায় উক্ত শ্রেণিবিভাগ উল্লিখিত হয়েছে।

(১) শিক্ষাধিন শ্রমিক (Apprentice Worker): কোন শ্রমিককে যদি প্রশিক্ষণার্থী হিসেবে নিয়োগ করা হয় এবং প্রশিক্ষণার্থী হিসেবে ভাতা প্রদান করা হয় তাহলে তাকে শিক্ষাধীন শ্রমিক বলে। [ধারা-৪(২)]

(২) বদলী শ্রমিক (Badli Worker): কোন স্থায়ী বা শিক্ষানবিশ শ্রমিকের সাময়িক অনুপস্থিতির সময় যে সকল শ্রমিকের নিয়োগ করা হয় তাদেরকে বদলী শ্রমিক বলে। [ধারা-৪(৩)]

(৩) সাময়িক শ্রমিক (Casual Worker): কোন শ্রমিককে কোন প্রতিষ্ঠানের সাময়িক ধরণের কাজে নিয়োগ করলে তাকে সাময়িক শ্রমিক বলে। [ধারা-৪(৪)]

(৪) অস্থায়ী শ্রমিক (Temporary Worker): যে সকল শ্রমিকদের অস্থায়ী ধরণের কাজে নিযুক্ত করা হয় এবং যাদের কাজ সীমিত সময়ের মধ্যে শেষ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে তাদেরকে অস্থায়ী শ্রমিক বলে। [ধারা-৪(৫)]

(৫) শিক্ষানবিশ শ্রমিক (Probationary Worker): যে শ্রমিককে কোন প্রতিষ্ঠানের স্থায়ী পদে নিয়োগ করা হয়েছে কিন্তু শিক্ষানবিশকাল শেষ হয়নি তাকে শিক্ষানবিশ শ্রমিক বলে। [ধারা-৪(৬)]

(৬) স্থায়ী শ্রমিক (Permanent Worker): যে শ্রমিককে কোন প্রতিষ্ঠানের স্থায়ী পদে নিয়োগ করা হয়েছে কিন্তু শিক্ষানবিশকাল সন্তোষজনকভাবে শেষ করেছেন তাকে স্থায়ী শ্রমিক বলে। [ধারা-৪(৭)]

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.




© All rights reserved © 2022 Lawinfobd.com | About us | Contact us | Privacy
Design & Developed BY kobirtech.com