Warning: Use of undefined constant jquery - assumed 'jquery' (this will throw an Error in a future version of PHP) in /home/lawinfob/public_html/wp-content/themes/newsstar/functions.php on line 28
আন্তর্জাতিক আইনের দুর্বলতাগুলো - Law Info

সোমবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১০:৪৯ অপরাহ্ন

আন্তর্জাতিক আইনের দুর্বলতাগুলো

আন্তর্জাতিক আইনের দুর্বলতাগুলো

International Law
International Law

আন্তর্জাতিক আইন কি?

শান্তি চায় না এমন কোন মানুষ বা জাতি নেই। সকল জাতি ও সকল মানুষের একান্ত কাম্য হলো শান্তি প্রতিষ্ঠা করা। তারপরও বিভিন্ন কারণে যুদ্ধ-বিগ্রহ আরম্ভ হয়। এই পর্যন্ত দুটি বিশ্বযুদ্ধও অনুষ্ঠিত হয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য প্রতিষ্ঠা করা হয় জাতিসংঘ। প্রতিষ্ঠার পর জাতিসংঘ ঘোষণা করে যে, বিভিন্ন রাষ্ট্রের বৈধতা বা আচার-আচরণের মাপকাঠি হবে আন্তর্জাতিক আইন।

সুতরাং বলা যায়, ন্যায়-নীতি ও আন্তর্জাতিক শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য যে আইন প্রয়োগ করা হয় তাকে আন্তর্জাতিক আইন বলে।

আন্তর্জাতিক আইনের দুর্বলতা বা সীমাবদ্ধতাঃ

আন্তর্জাতিক আইনের বেশ কিছু সীমাবদ্ধতা বা দুর্বলতা রয়েছে যার কারণে জাতিসংঘের মত সংস্থাগুলো বিভিন্ন দেশের একচেটিয়া ও বে-আইনি কাজগুলোর বিরুদ্ধে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে পারে না। সীমাবদ্ধতাগুলো নিচে তুলে ধরা হলো-

১। নির্বাহী বিভাগের অনুপস্থিতি- কোন রাষ্ট্রের আইন প্রণয়ন করার জন্য নির্বাহী বিভাগ থাকে। কিন্তু আন্তর্জাতিক আইন প্রয়োগ করার জন্য নির্দিষ্ট কোন বিভাগ বা নির্বাহী বিভাগ নেই।

২। আইন প্রণয়নকারী সংস্থার অভাবঃ কোন রাস্ট্রের আইন প্রণয়ন করার জন্য জাতীয় সংসদ থাকে। কিন্তু আন্তর্জাতিক আইন প্রণয়ন করার জন্য নির্দিষ্ট কোন বিভাগ বা সংস্থা নাই।

৩। বাধ্যকারী এখতিয়ারের অভাবঃ রাষ্ট্রীয় আদালতে বাধ্যকারী এখতিয়ার আছে। অর্থাৎ, আদালতের রায় বা সিদ্ধান্ত কেউ অমান্য করলে তা মানতে বাধ্য করার জন্য নির্দিষ্ট সংস্থা রয়েছে। কিন্তু আন্তর্জাতিক আদালতের তেমন কোন সংস্থা নেই।

৪। রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে পারে নাঃ আন্তর্জাতিক আইন কোন দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে পারে না। যার ফলে অনেক দেশে তদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ের কথা বলে তাদের বিরোধী পক্ষ বা দলকে নির্যাতন করা হয়।

যেমনঃ মায়ানমার এর রোহিঙ্গা ইস্যু সহ বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্রে স্বৈরাচার বা জনগণ দ্বারা অনির্বাচিত সরকারের জনবিরোধী কার্যকলাপ

৫। স্থায়ী সদস্যদের প্রভাবঃ জাতিসংঘের স্থায়ী সদস্য ৫টি দেশ। কোন বিষয়ে এই ৫টি দেশ একমত না হলে তা কার্যকর করা যায় না। অর্থাৎ ৫টি দেশেরই একমত হতে হয়। যার ফলে এই ৫টি দেশের বিরুদ্ধে কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যায় না। কারণ কোন দেশ তার বিরুদ্ধে ভোট দিবে না। এটি হলো তাদের ভেটো ক্ষমতা। এই ভেটো ক্ষমতার কারণে আন্তর্জাতিক আইন অনেক ক্ষেত্রে অসহায় পড়ে।

সত্যিকার অর্থে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশগুলোর মধ্যে বিরোধ নিরসনের পথ দুইটি। একটি হচ্ছে শান্তিপূর্ণভাবে আর অন্যটি হলো আইনি বলপ্রয়োগের মাধ্যমে বাধ্যতামূলকভাবে। দুটি পদ্ধতিই আইনসম্মত হলেও শান্তিপূর্ণ উপায়ে বিরোধ নিরসন করা হলে তা পরস্পর রাষ্ট্রসমূহের জন্য দীর্ঘস্থায়ীভাবে কল্যাণকর হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.




© All rights reserved © 2022 Lawinfobd.com | About us | Contact us | Privacy
Design & Developed BY kobirtech.com